গুগল কেন চায় না আপনি Brave ব্যবহার করুন?
দুনিয়ার বড় বড় টেক ও মিডিয়া কোম্পানি যেমন গুগল বা অ্যাপল মূলত বিজ্ঞাপন ও ডাটা নির্ভর ইকোসিস্টেমের উপর দাঁড়িয়ে আছে। আর Brave Browser শুরু থেকেই এই সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
Brave-এর প্রতিষ্ঠাতা Brendan Eich যিনি JavaScript-এর নির্মাতা এবং Mozilla Firefox-এর কো-ফাউন্ডার। Mozilla ছাড়ার পর তার লক্ষ্য ছিল একটি Privacy-Focused Browser তৈরি করা, যেখানে ব্যবহারকারীর ডাটা ও প্রাইভেসি হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
গুগলের আয়ের বড় অংশই আসে বিজ্ঞাপন থেকে। কিন্তু Brave ডিফল্টভাবেই ট্র্যাকিং, থার্ড-পার্টি কুকি এবং অনেক অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপন ব্লক করে, যার ফলে ইউজারের প্রাইভেসি বাড়ে এবং ব্রাউজিং হয় দ্রুত।
Brave-এর কিছু বিশেষ সুবিধা:
• Chromium ভিত্তিক হওয়ায় Chrome-এর মতোই সব এক্সটেনশন ব্যবহার করা যায়
• ডিফল্ট Ad Block ও Tracker Block
• কম রিসোর্স ব্যবহার করে, ফলে ব্রাউজিং হয় দ্রুত
• Brave Ads দেখলে Basic Attention Token (BAT) নামে ক্রিপ্টো রিওয়ার্ড পাওয়ার সুযোগ
বিতর্কও আছে:
Brave নিয়ে সময়ে সময়ে কিছু বিতর্ক হয়েছে—যেমন রেফারাল লিংক সংক্রান্ত অভিযোগ বা কিছু বাগ ইস্যু। পরে এসব বিষয়ে আপডেট ও সংশোধন আনা হয়েছে।
তবুও জনপ্রিয়তা বাড়ছেই:
২০২৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী Brave-এর ইউজার সংখ্যা ১০০ মিলিয়নেরও বেশি। Brave ধীরে ধীরে নিজস্ব ইকোসিস্টেমও তৈরি করছে যেমন Brave Search, VPN, AI এবং BAT ক্রিপ্টো সিস্টেম।
সব মিলিয়ে Brave দেখিয়েছে যে প্রাইভেসি-ফার্স্ট ব্রাউজিংও সম্ভব, আর সেই কারণেই এটি আজ টেক দুনিয়ায় একটি বড় আলোচনার বিষয়।
কারণ Brave Browser ব্যবহার করলে কমে যায় ট্র্যাকিং, ব্লক হয় অপ্রয়োজনীয় অ্যাড, আর আপনার ডাটা থাকে আরও সুরক্ষিত।

Post a Comment